Posts

সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে লিরিক্স

  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  হাদিসে হারাম লিখে অন্যে দেখিলে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  হাদীছে হারাম লিখে অন্যে দেখিলে  শাফায়াত করবেন না নবী দাইয়ুছ হলে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  ১) সৃষ্টির সেরা জাতি হইয়া  তোমরা ঘুড়িও না পর্দা ছাড়া  সৃষ্টির সেরা জাতি হইয়া  তোমরা ঘুড়িও না পর্দা ছাড়া  কি জবাব দিবে তোমরা হিসাবের দিনে কি জবাব দিবে তোমরা হিসাবের দিনে।  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  ২) শোন নারী বিনয় করি  চলিওনা পর্দা ছাড়ি  শোন নারী বিনয় করি  চলিওনা পর্দা ছাড়ি  কী জবাব দিবে তোমরা হাশরের দিনে  কী জবাব দিবে তোমরা হাশরের দিনে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  সাবধানে থাকিও নারী পর্দার আড়ালে  ৩) অনেক কাটিং এর জামা পড়ে  ঠোঁটে-গালে আলতা মেখে  অনেক কাটিং এর জামা পড়ে  ঠোঁটে-গালে আলতা মেখে সিনেমা...

মোহাররমের দশ তারিখে কি ঘটাইলেন রাব্বানা

মহরমের দশ তারিখে  কি ঘটাইলেন রাব্বানা  কলিজা মোর ফাটিয়া জায়গো কহিতে তাঁর ঘটনা। ১) হাসান শহীদ জহরেতে হোসাইন শহীদ কারবালায় জয়নাল আবেদীন বন্দী হইলেন ইয়াজীদের জেলখানায়।  ২) মইরনা মইরনা জয়নাল তুমি জয়নাল মইরনা  তুমি জয়নাল মইরা গেলে নবীর বংশ থাকবেনা। ঐ ৩) একে একে সবাই গেল কেউত ফিরে এলোনা  আহারে প্রানের জয়নাল তোমায় যেতে দিবনা। ঐ ৪) দুল দুলে আসিয়া বলে আমার কোন দোষ নাই  তোমার হোসাইন জায়গো মারা কারবালাতে পানি নাই। ঐ  ৫) মা ফাতিমার কান্দন শুনে আরশ থেকে আল্লাহ কয়  ও জিবরাঈল যাওনা চলে বাতাশ কর মা ফাতেমার গায়।  ৬) মা ফাতিমায় কান্দিয়া বলে কেন বাতাশ করছ গায়  পুত্রের শোকে জ্বলছে আগুন বাতাশে কি প্রাণ জুড়ায়।

রক্ত লালে লাল হইল কারবালার ময়দান rokto lale Lal hoilo Karbalar moidan

 রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান।। শহীদ হলেন ইমাম হোসাইন নবীর জানের জান।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান।।  দুধের শিশু আলী আসগরে, পানি চাইল মায়ের ধারে।। পানি পানি বলে সে যে দিয়ে গেল প্রান।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান ।। শহীদ হল ইমাম হোসাইন নবীর জানের জান।। এজিদ সেনা সিমার এসে হোসাইনের বুকে বসে।। ছুড়ি দিয়ে কাটবে গলা বাঁচবে না আর জান।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান।। শহীদ হলেন ইমাম হোসাইন নবীর জানের জান।। শত তীরের আঘাত খাইয়া কান্দে হোসাইন মা বলিয়া।। নানা তুমি আছ কোথায় বাঁচে না আর প্রান।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান।। শহীদ হলেন ইমাম হোসাইন নবীর জানের জান।। মা ফাতেমার নয়ন মনি কারবালাতে শহীদ যিনি।। শির কাটিয়া নেয় গো আমার ওহে নানা জান।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান।। শহীদ হলেন ইমাম হোসাইন নবীর জানের জান।। হোসাইনের পাগল যারা এই মাহফিলে আসে তারা।। মাফ করিয়া দাওগো খোদা ওগো মেহেরবান ।। রক্তে লালে লাল হইল কারবালার ময়দান ।। শহীদ হলেন ইমাম হোসাইন নবীর জানেন জান।

কারবালার করুন কাহিনী কেমনে ভুলা যায় Karbala korun kahini kemne bhula jai

কারবালার করুন কাহিনী কেমনে ভুলা যায় মাওলানা মোঃ শামসুল ইসলাম ভান্ডারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ( বল) কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে  ভুলা যায়  নবীর আওলাদ শহীদ করল।। নিষ্ঠুর এজিদরায়  কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে ভুলা যায়।। দুধের শিশু শহীদ করলো নিষ্ঠুর এজিদায় ।। কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে ভুলা যায়।। দয়াল নবী যে গলেতে চুমা দিত দিনে রাতে  সেই গলেতে বিষের চুরি শিমুরে চালায়। কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে ভুলা যায়।। মা ফাতেমার কান্দার সুরে বিশ্ব ভূবন হায় হায় করে  কাঁদেন নবী  অকাতরে বসে রওজায়।। কারবালার করুন কাহিনী কেমনে ভুলা যায়।।  মুসলিম এর দুই ছেলে কাটাইলো সে দরজালে(দাজ্জালে) শোকেতে বানু বসে আসগরকে হারায়।। কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে ভোলা যায়।। জগত ভরল কান্নার রোলে, সিজদাতে নবী বলে  পাপির মুক্তি দিও আল্লাহ রক্তের বদলায়।।  কারবালার করুণ কাহিনী কেমনে ভুলা যায়।।  কারবালার শোকে কাঁদাইতে পারেনা যারে  সেই নবীজীর উম্মত বলে বড় নির্লজ্জায়।

হে হুসাইন নবীজির আওলাদ সালাম জানাই মোরা তোমায় he hosain nobizir awlad

  হে হুসাইন নবীজির আওলাদ  সালাম জানাই মোরা তোমায় সালাম জানাই মোরা তোমায়  জানিনা কেমন করে ছিলেন নবী সোনার মদিনায়  যে সময় দিল সিমার, তোমার গলায় তলোয়ার চালায়  তুমি তো ওই নবীর আওলাদ যিনি দোজাহানের সরদার  বানাইল আল্লাহ  গোটা মাখলুক যারি উসিলায়  যে গলায় চুমু খেতেন  আল্লাহর হাবিব নবী মোস্তফায়   কিভাবে সেই গলাতে এজিদের দল তলোয়ার চালায়।  যে মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়াতেন আম্মা ফাতেমায়  কিভাবে সেই মাথাকে নিল তারা তীরের আগায়।  ছয় মাসের দুধের শিশু আলী আজগর কাতর বিছানায়  কিভাবে সেই শিশুকে তীর মারিলো পানির বদলায়।

মা ফাতেমার নয়ন মণি ma fatemar noyon moni

  মা ফাতেমার নয়ন মণি হযরত আলীর জান  ইমাম হোসেন শহীদ হলেন কারবালার ময়দান ।।  দয়াল নবীর জবানে, কারবালার বয়ানে।।  আওলাদে রাসুল শহীদ হবেন হাদিসে প্রমাণ।  ১) ঈদের দিনে নতুন পোশাক পরতো সকলে  হাসান হোসেন কান্দে নানা পোশাক দাও বলে।।  দয়াল নবী করেন দোয়া, ওগো রাব্বানা  জান্নাত হতে কুদরতেরই পোশাক পাঠাওনা।।  লাল সবুজের সেই পোশাকে।। কারবালার শান।  ইমাম হোসেন শহীদ হলেন কারবালার ময়দান। ২) লাল রঙের পোশাক হতে মাটি নিলেন হাতে  এই মাটির কাহিনী হবে হুসাইনের সাথে।।  সীমার যখন করবে জবাই নিজেরও হাতে  মাটি রক্ত হয়ে মিলবে কারবালার সাথে।।  হোসাইনের শাহাদাত ইলমে গায়েবের প্রমাণ।  ইমাম হোসেন শহীদ হলেন কারবালার ময়দান। ৩) নবীর আওলাদ নূহের কিস্তি নবীজির বয়ান  আবু জর গিফারীর হাদিসে প্রমাণ।।  জীবনে দিবে ঈমান পাবে সুন্নীদের পথে জান্নাতে তোর জায়গা হবে হুসাইনের সাথে।।  সুন্নি জনতা গ্রহণ করো অধমের আহ্বান। ইমাম হোসেন শহীদ হলেন কারবালার ময়দান। 

১) নামাজকে বলো না কাজ আছে namazke bolo na kaz ace

 নামাজকে বলোনা কাজ আছে। নামাজকে বলোনা কাজ আছে  কাজকে বলো আমার নামাজ আছে।  নামাজ বিহীন পরপারে  কি জবাব দিবে তুমি প্রভুর কাছে  ফজর কাটে ঘুমের ঘরে,  যোহর কাজে কাজে  আসর কাটে খেলাধুলায়  মাগরিব মাঝে মাঝে  এশার সময় হয়ে গেলে  থাকো মিছে দুনিয়ার পিছে  নামাজকে বলো না কাজ আছে  কাজকে বলো আমার নামাজ আছে  প্রভুর হুকুম মানো রে ভাই  থাকো তুমি যেথায়   সময় গেলে পাবে না ফিরে  মরণ তোমায় লইবে ঘিরে  জেনে রেখো মরন তোমার অতি কাছে  নামাজকে বলো না কাজ আছে  কাজকে বলো আমার নামাজ আছে।

ও নদীরে তুই ভাঙ্গলি আমার ঘর o nodire tui vangli amar ghor

 গজল :  ও নদীরে তুই ভাঙ্গলি আমার ঘর ও নদীরে তুই ভাঙ্গলি আমার ঘর  তোর কিনারে থাকতাম,  তুই করলি আমায় পর ।। সকালে দুপুর সাঝে, তুর কিনারে বসে ।। করতাম কত গুণগান তোর  ভাঙলি আমার ঘর, তুই করলি আমায় পর ।। ১) তোর কিনারে মাটি দিয়ে বাধা ছিল ঘর  ভাবিনি কখনো তুই হয়ে যাবি পর ।। ভাবলিনা তুই আমার কথা হায়  অশ্রু এসে দুচোখ ভরে যায় ।। আমি তো ভাবি নি তোকে পর  ভাঙলি আমার ঘর, তুই করলি আমায় পর  ও নদীরে তুই ভাঙ্গলি আমার ঘর  তোর কিনারে থাকতাম তুই করলি আমায় পর ।। ২) আপন বলে ভেবেছিলাম, আসুক যত ঝড়  তোর কিনারে থাকবে ভালো, আমার ছোট ঘর।।  কিন্তু এমন করলি কেন বল  আমার সাথে করলি বড় ছল।। আমিতো ভাবিনি তোকে পর  ভাঙ্গলি আমার ঘর, তুই করলি আমায় পর ।। ও নদীরে তুই ভাঙ্গে আমার ঘর  তোর কিনারে থাকতাম তুই করলি আমায় পর।

১৯) আল্লাহ আল্লাহ বলো মুখে মুখে Allah Allah bolo mukhe mukhe

  আল্লাহ আল্লাহ বল মুখে মুখে   আল্লাহ আল্লাহ বলো মুখে মুখে  তাওহিদী বাণী রাখো বুকে বুকে    তোমায় গড়ো তুমি ঈমানী চেতনায়  আবার ফিরে এসো ইনসাফী সাধনায়  অন্তরে ঈমান রাখো সুখে দুখে  আল্লাহ আল্লাহ বলো মুখে মুখে।  পৃথিবীর পথে ছুটে চল তুমি  সজীব করে দাও শুকনো ভূমি  জান্নাত রাখো তুমি জীবনের সীমানায়  সিরাতের পথে চলে যাও তুমি ঠিকানায়  বাধা সব তুমি পারো দিতে রুখে  আল্লাহ আল্লাহ বলো মুখে মুখে  তাওহিদী বাণী রাখো বুকে বুকে। আল্লাহ আল্লাহ বলে যাও দ্বিধাহীন  আল্লাহর হুকুমে থাকো সারা দিন  আসমানে হুকুমাত করতে কায়েম ধরায়  আবার তোমার হাত মগ্ন হোক সাধনায়  আসবে বিজয় রাখো সাহস বুকে।  আল্লাহ আল্লাহ বল মুখে মুখে  তাওহিদী বাণী রাখো বুকে বুকে ।

৯) মুসিবতে না পাই যদি musibote na Pai Jodi #naat #নাত

  মুসিবতে না পাই যদি  ইকবাল হোসেন কাদেরী  মুসিবতে না পাই যদি ।। করুণা তোমার  কবরে হাসরে কি হবে আমার।। আছি গো ডুবে আমি পাপের ঐ সাগরে  না জানি কি হবে ওপারে হাশরে ।। তোমারই সুপারিশ বিনে।। কেমনে হবো পার  কবরে হাশরে কি হবে আমার।। তুমি তো দিয়েছো দেখি আলোর পথ  বলেছ সে পথে মিলবে রহমত ।। কেন যে ভুল পথে আমি ।। করলাম জীবন পার  কবরের হাশরে কি হবে আমার।।

৮) লোকে আমায় পাগল বলে #নাত

লোকে আমায় পাগল বলে  মোহাম্মদ ইকবাল  লোকে আমায় পাগল বলে  আমার দুঃখ লাগে না  আমাকে পাগল করেছে  আরবের ঐ মাদিনা  ওই মদিনায় আছেন আমার জান মোহাম্মদ রাসুল  সেই মদিনার প্রেমিক হয়ে আমি যদি করি ভুল  ভুলে ভরা জীবন হোক কিছুই যায় আসে না। আমাকে পাগল করেছে আরবের ঐ মাদিনা। দুনিয়ার পাগলে কিনা বলে আর কিনা খায়  আমি শুধু নবীর সালাম দুরুদ পড়ে মজা পাই  যার প্রেমেতে কুলকায়েনাত হয়ে গেল দিওয়ানা। দেখলে একবার চোখ ফিরে না গুম্বদে খাজরা   ঐ মদিনার প্রেমে আমি ইকবাল পাগলপারা  মদিনার নবী না দেখে মরেও শান্তি পাব না।  আমাকে পাগল করেছে আরবের ঐ মাদিনা ।